25% OFF
Cash on delivery available
“প্রিয় শ্রেয়সী!” চারপাশ মুখরিত করে ভেসে এলো গুরুগম্ভীর সুমিষ্ট বাক্যটা। শ্রেয়সীর শ্রবণেন্দ্রিয় ঝংকার তুলল মুহূর্তেই। ও ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে দেখল। শ্রেয়ান ওর দিকে চেয়ে আছে। সেভাবেই ম্লান গলায় বলল, “সব আয়োজন তো বৃথা, জমিদার বাবু।” “মাঝেমধ্যে বৃথা প্রচেষ্টাতেও শান্তি মিলে।” শ্রেয়ান ওর দিকে তাকিয়েই বলল। শ্রেয়সী নিজেও চোখ সরাল না। পাশ থেকে একটা প্রদীপ তুলে হাতের তালুতে নিল। ইচ্ছে করেই ঠান্ডা পানিতে ভাসমান পদ্মর বড়ো পাতার ওপরে পা রাখল। পানিতে তার প্রতিবিম্ব দৃশ্যমান হলো। কলমলিয়ে উঠল সলিলের তরঙ্গগুলো।শ্রেয়সী বলল, “আর কত? এভাবে আর কত বলুন তো? শুধরে নিন নিজেকে। এখনো নেশার ঘোরে আছেন আপনি। প্রাণ নিয়ে পালানোর সুযোগটুকুও পাবেন না।”অপরপক্ষ থেকে তৎক্ষণাৎ কোনো জবাব এলো না। শ্রেয়সী নিজেও আর কিছু বলল না। হাতে থাকা প্রদীপটাকে দেখতে লাগল। শ্রেয়ানের দৃষ্টি নিবিষ্ট শ্রেয়সীর ধবধবে সাদা পায়ে পরিহিত নূপুরের দিকে। শ্রেয়সীর কর্ণগোচর হলো তিনটা বাক্য, ‘নেশার সর্বনিম্ন স্তর আপনি রক্তকরবী, আর সর্বোচ্চ স্তর হলো আপনার ওই দুটো চোখ, এই নেশা থেকে মুক্তির উপায় জানা নেই!