1 / 330% OFF
Cash on delivery available
আলী (রা.) ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা। তিনি ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশের বনু হাশিম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর চাচা আবু তালিবের পুত্র ছিলেন।তাঁর ডাকনাম ছিল আবু তোরাব ও আবুল হাসান। বাল্যকাল থেকেই তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর সাথে থাকতেন। মহানবি (স.) এর প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস ছিল। তাই দশ বছর বয়সেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। বালকেদের মধ্যে তিনিই প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী সাহাবি। মহানবি মুহাম্মদ (স.) হিজরত করে মদিনা যাওয়ার সময় হযরত আলী (রা.) কে আমানতের মালের দায়িত্ব দিয়ে তাঁর বিছানায় রেখে যান। জীবনের কঠিন ঝুকিঁ সত্ত্বেও তিনি এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন।মহানবি (স.) এর দেওয়া দায়িত্বের চেয়ে তিনি তাঁর জীবনের মূল্য তুচ্ছ মনে করেছেন, দায়িত্ব পালনই ছিল তাঁর কাছে বড় ব্যাপার। হযরত আলি. (রা.) এর মতো সত্যের পথে জীবনবাজি রাখা যুবক খুব কম আছে। আলী (রা.) অসাধারণ মেধার অধিকারী ছিলেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন জ্ঞান তাপস ও জ্ঞান সাধক। তিনি সর্বদা জ্ঞানচর্চা করতেন। হাদিস, তাফসির আরবি সাহিত্য ও আরবি ব্যাকরণে তিনি তার যুগের সেরা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। কথিত আছে যে, মুহাম্মদ (স.) জ্ঞানের শহর, আর আলী (রা.) হলেন তার দরজা। তাঁর রচিত দিওয়ানে আলি, নামক কাব্য গ্রন্থটি আরবি সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। আলী (রা.) এর সংক্ষিপ্ত জীবন পরিক্রমা ও তার সাহিত্য প্রতিভা জানান জন্য বইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে ।
আলী (রা.) ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা। তিনি ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশের বনু হাশিম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর চাচা আবু তালিবের পুত্র ছিলেন।তাঁর ডাকনাম ছিল আবু তোরাব ও আবুল হাসান। বাল্যকাল থেকেই তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর সাথে থাকতেন। মহানবি (স.) এর প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস ছিল। তাই দশ বছর বয়সেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। বালকেদের মধ্যে তিনিই প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী সাহাবি। মহানবি মুহাম্মদ (স.) হিজরত করে মদিনা যাওয়ার সময় হযরত আলী (রা.) কে আমানতের মালের দায়িত্ব দিয়ে তাঁর বিছানায় রেখে যান। জীবনের কঠিন ঝুকিঁ সত্ত্বেও তিনি এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন।মহানবি (স.) এর দেওয়া দায়িত্বের চেয়ে তিনি তাঁর জীবনের মূল্য তুচ্ছ মনে করেছেন, দায়িত্ব পালনই ছিল তাঁর কাছে বড় ব্যাপার। হযরত আলি. (রা.) এর মতো সত্যের পথে জীবনবাজি রাখা যুবক খুব কম আছে। আলী (রা.) অসাধারণ মেধার অধিকারী ছিলেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন জ্ঞান তাপস ও জ্ঞান সাধক। তিনি সর্বদা জ্ঞানচর্চা করতেন। হাদিস, তাফসির আরবি সাহিত্য ও আরবি ব্যাকরণে তিনি তার যুগের সেরা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। কথিত আছে যে, মুহাম্মদ (স.) জ্ঞানের শহর, আর আলী (রা.) হলেন তার দরজা। তাঁর রচিত দিওয়ানে আলি, নামক কাব্য গ্রন্থটি আরবি সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। আলী (রা.) এর সংক্ষিপ্ত জীবন পরিক্রমা ও তার সাহিত্য প্রতিভা জানান জন্য বইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে ।