1 / 216% OFF
Cash on delivery available
মিলিয়ন ডলার কনটেন্ট হ্যাকস- বিজনেস করে কোটিপতি হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাটা খুবই সহজ। সেই স্বপ্ন দেখানোর কাজটা অন্যরা করুক, আমার সেটা কাজ না।কিন্তু কাস্টমারদের পকেট থেকে টাকা বের করাটা, অর্থাৎ সেলস করাটা স্বপ্ন দেখার মত এতটা সহজ নয়; খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা কাজ অনেকের সব স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়, এই কঠিন চ্যালেঞ্জটা মোকাবেলা করতে গিয়ে। এই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্যপাওয়ারফুল অস্ত্র হচ্ছে কনটেন্ট।সবচাইতেমোটিভেশন যারা খোঁজেন, তাদের জন্য এই বইটাতে কোন তৃপ্তিদায়ক কিছুই নাই, আর যারা কনটেন্ট দিয়ে অডিয়েন্সের মাইন্ড হ্যাক করার কঠিন চ্যালেঞ্জটুকু নিয়ে প্রতিনিয়ত স্ট্রাগল করছেন, তারা এই বইটাতে খুঁজে পাবেন মিলিয়ান ডলারের কনটেন্ট হ্যাকস।৫টা মারাত্মক ভুলের কারণেই আপনার কনটেন্ট সেলস আনতে ব্যর্থ হচ্ছে -> অ্যাভাটার পেইন পয়েন্ট নির্ধারণে ভুল প্রসেস> মানুষের মনে এক্সপার্ট হিসেবে জায়গা করে নিতে ভুল প্রসেস> হুক পয়েন্টে ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে ভুল প্রসেস> কাস্টমারের তৃতীয় চক্ষুকে ঘুম পাড়িয়ে দিতে না পারা> কনটেন্ট ক্রিয়েটিভ ওয়েতে প্রেজেন্ট করতে না পারাকনটেন্ট মার্কেটিংবাংলাদেশে কনটেন্ট মার্কেটিং এখনো নতুন ধারণা হলেও, এর গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। ‘ক্রিয়েটর ইকোনমি’-র বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে দক্ষ কনটেন্ট মার্কেটারের চাহিদা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।এই বইটি কনটেন্ট মার্কেটিংকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়ার পথ দেখায়। আপনি যদি একেবারে নতুন হন বা ইতিমধ্যে অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন, বইটি আপনাকে সহায়তা করবে বিক্রয়যোগ্য কনটেন্ট তৈরি, সঠিকভাবে বাজারজাতকরণ, এবং সেগুলো ব্যবহার করে ব্যবসা, পণ্য বা পার্সোনাল ব্র্যান্ড গড়ে তোলায়।বইটির বিশেষত্ব হলো—এতে বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটে স্থানীয় কেস স্টাডি তুলে ধরা হয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে দেখা গেছে, কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের আন্তর্জাতিক মৌলিক কৌশলগুলো কীভাবে দেশীয় বাজারেও সফলভাবে কাজে লাগানো যায়। বিদেশি উদাহরণ ছাড়াও পাঠকরা এখান থেকে নিজেদের বাস্তবতার সঙ্গে মেলাতে পারবেন এমন মূল্যবান শিক্ষাওএই বই একটি বাস্তবভিত্তিক গাইড যা দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যৎ বুঝতে ও গড়তে সাহায্য ।কনটেন্ট রাইটিং ইজ কিংবইয়ের নাম দেখে নিশ্চয়ই ভ্রু’টা খানিক কুঁচকে উঠেছে আপনার। এতোদিন তো জেনে এসেছেন ‘কনটেন্ট ইজ কিং’ আজ আবার মাঝখান দিয়ে ‘রাইটিং’ ঢুকে গেল কীভাবে?! তবে একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন, এটাই আসলে হওয়া উচিত। কারণ সব ধরনের কনটেন্টের ভিত্তিই হলো এর রাইটিং। রাইটিং ভালো হলে, কনটেন্টও ভালো হতে বাধ্য। আপনি যদি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কিংবা কনটেন্ট রাইটার হয়ে থাকেন, তাহলে তো বটেই, যদি হয়ে থাকেন উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, মার্কেটার কিংবা বিজনেস স্টুডেন্ট তাহলেও নিশ্চয়ই প্রতি পদে পদে কনটেন্ট রাইটিং-এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে থাকেন। অথচ বাংলায় এ বিষয়ক ভালো বই নেই বললেই চলে। গুগলে কনটেন্ট রাইটিং-এর ওপর সেরা বইয়ের নাম সার্চ করলে তালিকার শুরুতেই থাকবে অ্যান হ্যান্ডলি’র ‘এভরিবডি রাইটস’ বইটি। এর গুডরিডস রেটিং ৪/৫। বুঝতেই পারছেন কী দুর্দান্ত একটি বই। সে বইয়েরই ঝরঝরে, সাবলীল বাংলা রূপান্তর হচ্ছে ‘কনটেন্ট রাইটিং ইজ কিংসরাসরি অনুবাদ না করে রূপান্তর করার কারণ হচ্ছে, মূল বইটা ইংলিশ ভাষাভাষীদের জন্য লেখা। ফলে ইংলিশ ব্যাকরণসহ অনেক ব্যাপারই ছিল আমাদের প্রেক্ষাপটে অপ্রয়োজনীয়। সেগুলোর নির্যাস বজায় রেখে যথাসম্ভব সংক্ষেপ/পরিমার্জন করে একটি কার্যকরী রূপান্তর আমরা পাঠকের জন্য উপস্থাপন করেছি।আরেকটা কথা, এটি শুধু কনটেন্ট রাইটিং বিষয়ক বই-ই না, একই সাথে যারা ক্রিয়েটিভ রাইটিং-এ আগ্রহী তাদের জন্যও দারুণ ইফেক্টিভ এই বইটি। ’।