1 / 225% OFF
This product is currently out of stock.
Cash on delivery available
‘জনকরাগ সমগ্র’ একটি সংকলন ও সম্পাদনা মূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে অধিকাংশ বন্দিশ নেয়া হয়েছে পÐিত বিষ্ণুনারায়ণ প্রণীত ‘ক্রমিক পুস্তক মালিকা’ গ্রন্থ থেকে। আমাদের দেশেও উন্নত মানের বন্দিশ রচয়িতা আছেন। তাঁদের একজন উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিন। অপ্রিয় হলেও সত্য যে অনেকে আমাদের দেশের বন্দিশ রচয়িতাদেরকে মূল্যায়ন করতে চান না। তবে যতই অবহেলা করা হোক বাস্তবে বাংলাদেশের সংগীত চর্চায় উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিন রচিত ‘ছোঁদের সারেগামা’ বইটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। কালজয়ী এই গুণীর রচনা সম্পর্কে আমি বিশেষভাবে জানতে পারি আশির দশকে। তখন আমি সংগীতবিদ তরুণ রায় সম্পাদিত ‘মাসিক সঙ্গীত’ পত্রিকায় কার্যকরি সম্পাদক পদে নিয়োযিত ছিলাম। এই পত্রিকায় ‘উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিনের ডাইরি’ শিরোনামে ধারাবহিতভাবে একটি লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাকে মনোযোগ সহকারে মুনশী রইসউদ্দিনের রচনা পাঠ করতে হয়। বিশেষ করে একজন উচ্চাংগসংগীত শিল্পী হিসেবে আমি তাঁর রচিত বন্দিশগুলিকে নানাভাবে বোঝার চেষ্টা করি এবং এর রাগরূপ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমি মুগ্ধ হই। পরবর্তীকালে আমি আমার বিভিন্ন লেখায় ‘বাংলাদেশের ভাতখÐে’ নামে উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিনকে উপস্থাপন করি। উল্লেখ্য যে আমার শ্রদ্ধের সংগীত গুরুদের নিকট থেকেও কিছু বন্দিশ সংগহ্র করি । সঙ্গীতের রসাস্বাদনের পাশাপাশি অনুসন্ধিৎসু পাঠকরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিভাষা সমূহের সংজ্ঞা জানতে চান; তাই এই গ্রন্থে যুক্তিনির্ভর একটি ঔপপত্তিক অধ্যায় ও একটি মিনি অভিধান রয়েছে। পাশাপাশি ইতিহাস পিপাসুদের কথা ভেবে ‘উপমহাদেশের সঙ্গীত : ক্রমবিকাশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ নামীয় অংশটিও রয়েছে।
‘জনকরাগ সমগ্র’ একটি সংকলন ও সম্পাদনা মূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে অধিকাংশ বন্দিশ নেয়া হয়েছে পÐিত বিষ্ণুনারায়ণ প্রণীত ‘ক্রমিক পুস্তক মালিকা’ গ্রন্থ থেকে। আমাদের দেশেও উন্নত মানের বন্দিশ রচয়িতা আছেন। তাঁদের একজন উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিন। অপ্রিয় হলেও সত্য যে অনেকে আমাদের দেশের বন্দিশ রচয়িতাদেরকে মূল্যায়ন করতে চান না। তবে যতই অবহেলা করা হোক বাস্তবে বাংলাদেশের সংগীত চর্চায় উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিন রচিত ‘ছোঁদের সারেগামা’ বইটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। কালজয়ী এই গুণীর রচনা সম্পর্কে আমি বিশেষভাবে জানতে পারি আশির দশকে। তখন আমি সংগীতবিদ তরুণ রায় সম্পাদিত ‘মাসিক সঙ্গীত’ পত্রিকায় কার্যকরি সম্পাদক পদে নিয়োযিত ছিলাম। এই পত্রিকায় ‘উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিনের ডাইরি’ শিরোনামে ধারাবহিতভাবে একটি লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাকে মনোযোগ সহকারে মুনশী রইসউদ্দিনের রচনা পাঠ করতে হয়। বিশেষ করে একজন উচ্চাংগসংগীত শিল্পী হিসেবে আমি তাঁর রচিত বন্দিশগুলিকে নানাভাবে বোঝার চেষ্টা করি এবং এর রাগরূপ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমি মুগ্ধ হই। পরবর্তীকালে আমি আমার বিভিন্ন লেখায় ‘বাংলাদেশের ভাতখÐে’ নামে উস্তাদ মুনশী রইসউদ্দিনকে উপস্থাপন করি। উল্লেখ্য যে আমার শ্রদ্ধের সংগীত গুরুদের নিকট থেকেও কিছু বন্দিশ সংগহ্র করি । সঙ্গীতের রসাস্বাদনের পাশাপাশি অনুসন্ধিৎসু পাঠকরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিভাষা সমূহের সংজ্ঞা জানতে চান; তাই এই গ্রন্থে যুক্তিনির্ভর একটি ঔপপত্তিক অধ্যায় ও একটি মিনি অভিধান রয়েছে। পাশাপাশি ইতিহাস পিপাসুদের কথা ভেবে ‘উপমহাদেশের সঙ্গীত : ক্রমবিকাশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ নামীয় অংশটিও রয়েছে।