1 / 225% OFF
Cash on delivery available
গুড টু গ্রেটযেকোনো ভাল কোম্পানিই কি শ্রেষ্ঠ কোম্পানি হতে পারে? যদি পারে তাহলে কিভাবে? বিখ্যাত গবেষক, শিক্ষক, লেখক জিম কলিন্স ঠিক এই প্রশ্নটাই করেছিলেন। এর উত্তর খুঁজার জন্যই একদল চৌকশ গবেষকদের নিয়ে তিনি গবেষণা শুরু করেন। খুঁজে বের করেন এমন সব কোম্পানিগুলোকে যারা ভাল থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়ার এই পথটি অতিক্রম করেছে এবং তাদের এই সাফল্যকে নূন্যতম ১৫ বছর ধরে রেখেছে। এই কোম্পানিগুলোর সাথে তুলনা করার জন্য তারা সাবধানে বাছাই করেন এমন কিছু কোম্পানিকে যারা এই ভাল থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়ার এই পথটাকে পারি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ৫ বছর ধরে চালানো দীর্ঘ গবেষণার পথে তারা তৈরি করেন ৬০০০ আর্টিকেল, ২০০০ পৃষ্ঠার ইন্টার্ভিউ, ৩৮৪ মেগাবাইট কম্পিউটার ডাটা। এই পাহাড়-সম তথ্য উপাত্ত সমূহ বিশ্লেষণ করে গবেষক দল খুঁজে বের করেন ভাল থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়া কোম্পানিগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য সমূহ এবং শ্রেষ্ঠ হতে ব্যর্থ হওয়ার কোম্পানিগুলোর সাথে তাদের মৌলিক পার্থক্যগুলোকে। শেষমেশে জিম কলিন্স রচনা করেন গুড টু গ্রেড বইটি, যাতে খুব সহজ ভাষায় ও গল্প বলার ঢঙে শ্রেষ্ঠ হওয়ার প্রক্রিয়াসমূহ বর্ণনা করেছেন তিনি। বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের জগতে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, বিক্রি হয়েছে ২০ মিলিয়নের বেশি কপি। জিরো টু ওয়ানবিজনেসে প্রতিটি মুহূর্ত শুধুমাত্র একবারই আসে। যেমন, পরবর্তীতে বিল গেটস এর মত কেউ কিন্তু আর অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করবেন না। একইভাবে ল্যারি পেজ বা সের্গেই সের্গে ব্রিন-দের মত কেউ এসে সার্চ ইঞ্জিন বানাবেন না। এমনকি ভবিষ্যতে মার্ক জাকারবার্গ-এর মত কেউও আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট তৈরি করবেন না। আপনি যদি তাদেরকে কপি করেন, তাহলে তাদের কাছ থেকে আসলে কিছুই শিখছেন না। একেবারে নতুন কিছু করার চেয়ে, যে মডেলটি অলরেডি আছে সেটাকে কপি করা অবশ্যই সবচেয়ে সহজ। আমরা অলরেডি জানি কিভাবে করতে হয়, এমন কিছু করা মানে ওয়ার্ল্ড কে ১ থেকে n-এ নিয়ে যাওয়া (n মানে অনির্দিষ্ট বা যার কোনো নির্দিষ্ট ভ্যালুনেই), যা কিছু অলরেডি আছে তার সাথে পরিচিত আরও কিছুযোগ করা। কিন্তু প্রত্যেকবার যখনই আমরা নতুন কিছু সষ্টিৃ করি, আমরা তখন ০ থেকে ১-এ উন্নীত হই। এই কাজটি হল সিঙ্গুলা র অর্থা ৎ একক বা অনন্য। কারণ নতুন কিছু সষ্টিৃ করার এই মুহূর্তের মতোই এর ফলাফলে যা কিছু পাওয়া যায় তা একদম নতুন, অজানা এবং অপ্রত্যাশিত।