1 / 220% OFF
Cash on delivery available
দি পাওয়ার অব হ্যাবিট‘দি পাওয়ার অব হ্যাবিট’ বইটিতে, লেখক ও সাংবাদিক চার্লস ডুহিগ আমাদেরকে নিয়ে গিয়েছেন অভ্যাসের বিভিন্ন আশ্চর্যজনক ও চমকপ্রদক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ভিতর দিয়ে। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বের করেছেন, কেন অনেক মানুষ বা প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদেরকে পরিবর্তন করতে এত পরিশ্রম করে থাকে, যেখানে অন্যেরা রাতারাতি নিজেদের বদলে ফেলেন। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষাগার। ঘুরে সেই কারণটি বের করতে চেয়েছেন, যার দ্বারা আমার মস্তিষ্ক বিভিন্ন অভ্যাসে সাড়া দেয়, কীভাবেই বা সেই অভ্যাস কাজ করে থাকে। এবং তিনি আমাদের সামনে উন্মােচিত করেছেন কীভাবে অলিম্পিক সােনাজয়ী সাঁতারু মাইকেল ফিলিপ্স, স্টারবাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাওয়ার্ড স্কাল্টজ এবং সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং কীভাবে তাদের নিজ নিজ কাজে সাফল্য পেয়েছিলেন। তিনি আবিষ্কার করেছেন কীভাবে নিজের দেহের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে আনা যায়, নিজের জীবনকে আরও কর্মময় করা সম্ভব, কীভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অভ্যাসকে তাদের লাভের ক্ষেত্রে কাজে লাগাচ্ছে। এর ফলে আমরা আমাদের নিজেদের জীবন, এমনকি আমাদের আশেপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিজের সমাজে অনেক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবাে।প্রতিটি লাইন অনেক বেশি শক্তিশালী...জোরালাে, এবং কাজের।”--জিম কলিন্স।বুদ্ধিমত্তা এবং আমাদের বাস্তব জীবনের কিছু উপদেশের দারুণ মিশেল, যার ফলে আমরা আমাদের বদভ্যাস পরিবর্তন করতে পারব।"এটমিক হ্যাবিটস" উন্নত অভ্যাস তৈরির জন্য প্রকৃতপক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনও উপায় নেই তবে এই বইটিতে লেখক তার অভিজ্ঞতা থেকে সবথেকে ভাল পদ্ধতির বর্ণনা করেছেন। আপনি যে ধারনাগুলির সহায়তায় একটি সফল ব্যবসা, একটি সুখী পরিবার এবং একটি সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে পারেন সেই কৌশলগুলো নিয়েই "এটমিক হ্যাবিটস" বইটিতে লেখক আলোচনা করেছেন। মানুষের আচরণ সর্বদা পরিবর্তিত হয়: পরিস্থিতি থেকে পরিস্থিতি, মুহূর্ত থেকে মুহূর্তে, ক্ষণ থেকে ক্ষণে। সহজে ভাল অভ্যাস গড়ে তোলা এবং খারাপ অভ্যাস দূর করে নিজেকে সফল হিসেবে গড়ে তুলতে "এটমিক হ্যাবিটস" বইটি আপনার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।ডীপ ওয়ার্ক বইয়ে মানুষের যে কোনো কাজে গভীর মনোযোগ দেয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। মূল বক্তব্য হলো মানুষের মনের গভীরে রয়েছে এক বিশাল বিশ্ব। কিন্তু বাইরের বিশ্বে অতিরিক্ত জোর দেয়ার কারণে মানুষ তার মনের বিশ্বটাকে ঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারে না। মনের বিশ্বটাকে মন দিয়ে অনুভব করতে পারলে যে কোনো মানুষ বাইরের বিশ্বকে চমকে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে।বাইরের বিশ্বে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যে হাজারটা উপকরণ রয়েছে। নিউপোর্ট বিশেষ করে ইন্টারনেটের কথাই বলেছেন। ই-মেইল চেক এবং ইনবকসে সারাক্ষণ ব্যস্ত থেকে মানুষ তার মনোযোগের বিশাল অংশ ব্যয় করছে। কিন্তু সত্যিকার সাফল্যের জন্যে উচিত নিজের কাজটাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করা, যা আপনাকে স্বল্প সময়ে নিশ্চিত সাফল্য এনে দেবে। নিউপোর্ট তাই নিজের জীবনের গভীর কাজগুলোর কথাই বার বার টেনেছেন এই বইয়ে।