1 / 35% OFF
Cash on delivery available
আলোচ্য বিষয়ের সারসংক্ষেপ পড়ার সুর দুই ধরনের- গানের সুর ও আবৃত্তির সুর। একই ভঙ্গিতে সুর করে পড়াকে গানের সুরে পড়া এবং যেখানে যে ভাব আছে সেখানে সে ভাব প্রকাশ করে পড়াকে আবৃত্তির সুরে পড়া বলে। যে গ্রন্থে বিভিন্ন ভাব প্রকাশকারী বক্তব্য আছে সে গ্রন্থ আবৃত্তির সুরে (ঢঙে) পড়তে হবে, এটি সহজ বোধগম্য একটি কথা। আর এর কারণ হলো, আবৃত্তি তথা যথাযথ ভাব প্রকাশ না করলে অর্থ পাল্টে যায় এবং ঐ বিষয়ে মনের ভাবের যথাযথ পরিবর্তন হয় না। আল কুরআনে বিভিন্ন ভাব (প্রশ্ন, আদেশ, ধমক, প্রার্থনা ইত্যাদি) প্রকাশক আয়াত আছে। তাই, সহজেই বলা যায় যে, কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে আবৃত্তি করে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে প্রায় সকল মুসলিম কুরআন পড়েন গানের সুরে। এটি সঠিক হচ্ছে কি না তা এক বিরাট প্রশ্ন। কুরআন, হাদীস ও Common sense এর তথ্যের আলোকে এ বিষয়টি পুস্তিকাটিতে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আর সে পর্যালোচনায় যে তথ্য চূড়ান্তভাবে বের হয়ে এসেছে তা হলো- কুরআনকে পড়তে হবে যেখানে যে ভাব আছে সেখানে সে ভাব প্রকাশ করে তথা আবৃত্তি করে।
আলোচ্য বিষয়ের সারসংক্ষেপ পড়ার সুর দুই ধরনের- গানের সুর ও আবৃত্তির সুর। একই ভঙ্গিতে সুর করে পড়াকে গানের সুরে পড়া এবং যেখানে যে ভাব আছে সেখানে সে ভাব প্রকাশ করে পড়াকে আবৃত্তির সুরে পড়া বলে। যে গ্রন্থে বিভিন্ন ভাব প্রকাশকারী বক্তব্য আছে সে গ্রন্থ আবৃত্তির সুরে (ঢঙে) পড়তে হবে, এটি সহজ বোধগম্য একটি কথা। আর এর কারণ হলো, আবৃত্তি তথা যথাযথ ভাব প্রকাশ না করলে অর্থ পাল্টে যায় এবং ঐ বিষয়ে মনের ভাবের যথাযথ পরিবর্তন হয় না। আল কুরআনে বিভিন্ন ভাব (প্রশ্ন, আদেশ, ধমক, প্রার্থনা ইত্যাদি) প্রকাশক আয়াত আছে। তাই, সহজেই বলা যায় যে, কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে আবৃত্তি করে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে প্রায় সকল মুসলিম কুরআন পড়েন গানের সুরে। এটি সঠিক হচ্ছে কি না তা এক বিরাট প্রশ্ন। কুরআন, হাদীস ও Common sense এর তথ্যের আলোকে এ বিষয়টি পুস্তিকাটিতে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আর সে পর্যালোচনায় যে তথ্য চূড়ান্তভাবে বের হয়ে এসেছে তা হলো- কুরআনকে পড়তে হবে যেখানে যে ভাব আছে সেখানে সে ভাব প্রকাশ করে তথা আবৃত্তি করে।