1 / 225% OFF
Cash on delivery available
বিষাদ কখনো সখনো প্রেয়সীর মতো আচরণ করে বসে। এই সে অভিমানী, পরোক্ষণেই আবার আহ্লাদী। ঠিক যেন এই রোদ, এই বৃষ্টি। ভুল করে হলেও তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া যায় না; কেমন যেন অলিখিত শর্তে আজীবন পাশে থেকে যায়। জীবনের দীর্ঘতম যাতনার রাতে যখন সবাই হাত ছেড়ে চলে যায়, তখন বুকের ভেতরে পুষে রাখা বিষাদই এসে শিয়রে বসে। সে হাসে না, কথাও বলে না; শুধু উষ্ণ দীর্ঘশ্বাসটুকু ছেড়ে বোঝায় — সে আছে। ছেড়ে যাবে না কিছুতেই। বিষাদ হয়তো অভিমান করতে ভালোবাসে। তাই তাকে দূরে ঠেলে দিতে চাইলে বুকের মাঝে সে আরো চেপে ধরে। শ্বাস আটকে দেয়। আর যদি ভালোবেসে আপন করে ফেলা যায়। আদুরে হাতে যত্ন নিয়ে তার কানেও প্রেয়সীর মতো ফুল গুঁজে দেওয়া যায়, তবে সে তখন অভিমান ভুলে যায়। বুকের ভেতরে থাকা পাথরটা সরিয়ে দেয়। কান্না হয়ে ঝরে গিয়ে শেষমেশ সমস্ত বুক জুড়ে আস্ত একটা রঙধনু এঁকে দেয়।