1 / 225% OFF
Cash on delivery available
বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের নাম, তাঁর বীরত্বপূর্ণ অমূল্য অবদানে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম মাতৃভূমি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর মহান আদর্শে বাঙালি জাতি আজ তাবৎ বিশ্বে উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে, মানবিক, সামাজকি অগ্রগতিও অর্থনৈতিক সাফল্যের অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে। বঙ্গবন্ধুহীন বাংলাদেশ নিমজ্জিত হয় এক অনিশ্চিত গভীর অন্ধকারে। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের রঞ্জিত প্রিয় মাতৃভূমি মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছিল পঁচাত্তরের ভয়াবহ নির্মম ট্রাজেডির পর থেকে। সে ভয়ানক আঁধারে আলোর দিশারী হয়ে ভিনদেশের দীর্ঘ নির্বাসন থেকে প্রিয় স্বদেশ ভূমিতে যেদিন ফিরে এলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, আকাশ ভেঙে পড়েছিল আবেগের শ্রাবণধারায়। লক্ষ লক্ষ বঙ্গবন্ধু সৈনিকের আনন্দ অশ্রুতে ভাসমান রক্তাক্ত মানব জমিন। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে কম্পিত নগরের সমস্ত গৃহলোক। সেদিন মনে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর পুনজন্ম বুঝি আজ। এ দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার জন্য নির্যাতিত নিপীড়িত বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বছরের পর বছর অন্ধকার কারাগারে বন্দি জীবন কাটিয়েছেন। একাত্তরের সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে বিশ্ব বিবেক বিস্মিত হয়েছিল আর মুক্তিপাগল বীর বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার শক্তি ও সাহস পেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কোটি মানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিলেন, মানুষের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা বিশ্বাস অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর ধ্যানে-জ্ঞানে বাঙালির মুক্তির আরাধ্য আরাধনায় নিঃস্বার্থভাবে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। এসব অনেক কারণেই একজন শেখ মুজিবুর রহমান বাঙলির পরম শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতার অসামান্য খ্যাতির স্বর্ণচূড়ায় আরোহণ করেছিলেন। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর ঋণ কোনো কালে শোধ করতে পারবে না।
বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের নাম, তাঁর বীরত্বপূর্ণ অমূল্য অবদানে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম মাতৃভূমি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর মহান আদর্শে বাঙালি জাতি আজ তাবৎ বিশ্বে উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে, মানবিক, সামাজকি অগ্রগতিও অর্থনৈতিক সাফল্যের অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে। বঙ্গবন্ধুহীন বাংলাদেশ নিমজ্জিত হয় এক অনিশ্চিত গভীর অন্ধকারে। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের রঞ্জিত প্রিয় মাতৃভূমি মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছিল পঁচাত্তরের ভয়াবহ নির্মম ট্রাজেডির পর থেকে। সে ভয়ানক আঁধারে আলোর দিশারী হয়ে ভিনদেশের দীর্ঘ নির্বাসন থেকে প্রিয় স্বদেশ ভূমিতে যেদিন ফিরে এলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, আকাশ ভেঙে পড়েছিল আবেগের শ্রাবণধারায়। লক্ষ লক্ষ বঙ্গবন্ধু সৈনিকের আনন্দ অশ্রুতে ভাসমান রক্তাক্ত মানব জমিন। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে কম্পিত নগরের সমস্ত গৃহলোক। সেদিন মনে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর পুনজন্ম বুঝি আজ। এ দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার জন্য নির্যাতিত নিপীড়িত বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বছরের পর বছর অন্ধকার কারাগারে বন্দি জীবন কাটিয়েছেন। একাত্তরের সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে বিশ্ব বিবেক বিস্মিত হয়েছিল আর মুক্তিপাগল বীর বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার শক্তি ও সাহস পেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কোটি মানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিলেন, মানুষের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা বিশ্বাস অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর ধ্যানে-জ্ঞানে বাঙালির মুক্তির আরাধ্য আরাধনায় নিঃস্বার্থভাবে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। এসব অনেক কারণেই একজন শেখ মুজিবুর রহমান বাঙলির পরম শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতার অসামান্য খ্যাতির স্বর্ণচূড়ায় আরোহণ করেছিলেন। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর ঋণ কোনো কালে শোধ করতে পারবে না।